ঘি খেলে ওজন বাড়ে এমন ধারণা নতুন নয়।তাই হাই কোলেস্টেরল, ইসকিমিক হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, হৃদরোগ অন্যতম কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার।তাই এসব রোগের হাত থেকে রেহাই পেতে ঘি খেতে চান না অনেক।
ঘিয়ে রয়েছে যেসব উপাদান–
এক চামচ ঘিয়ে রয়েছে ১৫ গ্রাম ফ্যাট। এর মধ্যে আবার ৯ গ্রামই স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ৪৫ মিলিগ্রামের মতো কোলেস্টেরল।তাই একটা সময় ছিল যখন বিজ্ঞানীরা ধরে নিয়েছিলেন হৃদরোগ ঠেকাতে ঘি বর্জনের বিকল্প নেই। তবে এখন কিন্তু বিপরীত বিষয় দেখা যাচ্ছে।
ঘি চর্বিযুক্ত একটি খাবার।তবে ঘি খেলে কি সত্যি ওজন বাড়ে। এছাড়া ঘি খেলে কি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। না একদম নয়। ঘি চর্বিযুক্ত খাবার হলে তা অবশ্যই নিয়ম করে খেতে হবে। নিয়ম করে ঘি খেলে ওজনও কমে।
শুনে অবাক হলেও সত্যি। আসুন জেনে কীভাবে ঘি খেলে ওজন কমবে।
এক গবেষণা ও পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি ঘি খায় ফ্রান্সের মানুষ। তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকলেও দেখা গেছে উল্টো চিত্র। হৃদরোগে মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম ফ্রান্সে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ঘি এমন জায়গা থেকে কিনুন যেখানে দুধের মাঠা তুলে বা মাখন জ্বাল দিয়ে ঘি বানানো হয়।
সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের বিজ্ঞানীদের মতে,সারা দিনে কাজের জন্য আমাদের যে পরিমাণ ক্যালোরি খরচ হয় তার মধ্যে ২০–৩৫ শতাংশ আসা উচিত চর্বি থেকে। ১০ শতাংশের কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট এলেও শরীরিক ক্ষতি হবে বরং তা শরীরের জন্য ভালো।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এক চামচ ঘিয়ে থাকে ৯ গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট।তাই দিনে দু’চামচ ঘি খাওয়া যেতেই পারে। তাই ঘি খেতে ইচ্ছে করলে দুধের মাঠা তুলে বা মাখন জ্বাল দিয়ে ঘি ঘরেই ঘি তৈরি করে নিন।
ঘি খেলে কি ওজন কমে
গবেষণা বলছে, সুষম খাবারের সঙ্গে দিনে দু’চামচের কম দেশি ঘি আপনার ওজন কমাবে।এছাড়া ক্যানসার, হৃদরোগ, ইসকিমিক হৃদরোগ প্রতিরোধ করবে ঘি।এছাড়া গরুর দুধে অ্যালার্জি থাকলেও সমস্যা নেই কারণ ঘি তৈরির সময় অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান থাকে না।
সতর্কতা
তাই নিয়ম মেনে ঘি খান।নিয়মের বাইরে যাবেন না।আর ঘি কেনার আগে কোন জায়গা থেকে ঘি কিনছেন সে বিষয়ে সতর্ক হোন। ভেজাল ঘি এড়িয়ে চলুন।
সূত্র: যুগান্তর এবং আনন্দবাজার পত্রিকা
খেজুর গুড়
প্রিমিয়াম আচার
প্রিমিয়াম ড্রাই ফ্রূটস
ঘি ও তেল
বাদাম ও বীজ
প্রিমিয়াম গুঁড়া মসলা
স্ন্যাকস
মধু
প্রিমিয়াম খেজুর